দ্বীপ, নোয়াখালী
হাতিয়া দ্বীপHatiya Island
- সময় লাগে
- আধা দিনে পার, বা ওছখালীতে এক রাত।
- সেরা মাস
- নভে–ফেব্রু
- খরচ
- সি-ট্রাক প্রায় ৳১০০–৩০০; দ্বীপ পার হতে মোটরসাইকেল ৳৩০০–৫০০।
মেঘনার মোহনায় বড় দ্বীপ, ৬০ কিলোমিটার লম্বা, পাঁচ লাখ মানুষ, ওছখালীতে বাজার শহর, বাঁধ, জেলেবহর আর দক্ষিণে নিঝুম দ্বীপের রাস্তা; পুরো ভ্রমণের মাঝের ধাপ।
এক নজরে
- দৈর্ঘ্য
- প্রায় ৬০ কিলোমিটার
- ঘাট
- নলচিরা, তমরুদ্দিন, মোক্তারিয়া
সম্পর্কে
১৭৯৩ থেকে হাতিয়া উপজেলা, আর দ্বীপ তার অনেক আগে থেকে, যদিও নদী এটাকে সরাতে থাকে: পুরোনো হাতিয়া শহর ভাঙনে খেয়ে ফেলেছে, গোটা বসতি দক্ষিণে সরেছে। দ্বীপটা বাঁধের পেছনে সমতল চাষের জমি, পশ্চিমে সাগর, পূর্বে চর, আর ঘাট নলচিরায় (উত্তর), তমরুদ্দিনে (পূর্ব, ঢাকার লঞ্চের জন্য) আর মোক্তারিয়ায় (দক্ষিণ, নিঝুম দ্বীপের জন্য)। সি-ট্রাকে পারাপার, ধান আর পানের মধ্য দিয়ে দ্বীপের একটাই রাস্তায় যাত্রা আর মাছের ঘাটই অভিজ্ঞতা; বেশিরভাগ দর্শনার্থী পার হয়ে যান, তবে পূর্বের সৈকত আর ভাঙনে কাটা পশ্চিম তীর থামার মতো।
যাওয়ার পথ: চেয়ারম্যান ঘাট থেকে সি-ট্রাক বা লঞ্চে নলচিরা, বা ঢাকা থেকে রাতের লঞ্চে তমরুদ্দিন।
যা করতে পারেন
- দক্ষিণে যাওয়ার পথে একটা মাছের ঘাটে থেমে নৌকা ফেরা দেখুন।
জেনে রাখা ভালো
- মোক্তারিয়ার শেষ মোটরসাইকেল দুপুরের পরে ছাড়ে; হাতিয়ায় দেরিতে পৌঁছাবেন না।





