স্মৃতিস্তম্ভ ও স্মৃতিসৌধ, কুষ্টিয়া
লালন শাহের মাজারLalon Shah Mazar
- সময় লাগে
- দুই ঘণ্টা; উৎসবে পুরো দিন।
- সেরা মাস
- অক্টো–মার্চ
- খরচ
- বিনা মূল্যে।
কুষ্টিয়া শহরের কিনারে ছেউড়িয়ায় বাউল সাধক লালন শাহের মাজার আর আখড়া: বাংলাদেশের বাউল গানের প্রাণকেন্দ্র, দোলপূর্ণিমা আর অক্টোবরে গায়কে ভরা।
ভ্রমণের পরিকল্পনা
- সেরা সময়
- গানের জন্য দোলপূর্ণিমা বা অক্টোবরের সমাবেশ; নইলে শীতের যেকোনো সন্ধ্যা।
এক নজরে
- লালনের প্রয়াণ
- ১৮৯০
- বর্তমান সমাধিভবন
- ১৯৬৩
সম্পর্কে
১৮৯০ সালে লালনের মৃত্যুর পর শিষ্যদের সঙ্গে যেখানে থাকতেন সেখানেই তাঁকে সমাহিত করা হয়; ভক্তরা আসতেই থাকেন, আর জায়গাটি মাজারে রূপ নেয়। এখনকার সাদা গম্বুজের সমাধিভবন ১৯৬৩ সালের; চারপাশে তাঁর শিষ্যদের কবর, পাশে একটি মিলনায়তন আর একাডেমি।
বেশির ভাগ মানুষ আসেন গানের টানে। উঠানে একতারা আর দোতারা হাতে বাউলরা বসেন, আর উৎসবের দিনগুলোতে কয়েক দিন ধরে চত্বর আর বাইরের মাঠ তাঁবু, গায়ক আর মেলায় ভরে থাকে।
যাওয়ার পথ: কুষ্টিয়া শহর বা বাস স্ট্যান্ড থেকে ইজিবাইক বা রিকশায় প্রায় ১৫ মিনিট।
যা করতে পারেন
- সন্ধ্যায় উঠানে বাউলদের সঙ্গে বসে গান শুনুন।
জেনে রাখা ভালো
- শালীন পোশাক পরুন আর সমাধিতে জুতা খুলুন।
- উৎসবের সময় শহরের থাকার জায়গা ভরে যায়; আগে ঠিক করুন।





