জাদুঘর, বাগেরহাট
বাগেরহাট জাদুঘরBagerhat Museum
- সময় লাগে
- আধা ঘণ্টা।
- খরচ
- প্রাপ্তবয়স্কদের ৳১৫, স্কুলশিক্ষার্থীদের ৳৫, পাঁচ বছরের নিচে বিনামূল্যে; সার্ক দেশের ৳৫০, অন্য বিদেশিদের ৳১০০।
ষাট গম্বুজ মসজিদের পাশে ছোট প্রত্নতাত্ত্বিক জাদুঘর: তিনটি গ্যালারিতে শিলালিপি, মৃৎপাত্র, পোড়ামাটির নিদর্শন আর খলিফাতাবাদের গল্প।
ভ্রমণের পরিকল্পনা
- খোলা থাকে
- গ্রীষ্মে সকাল ১০টা–সন্ধ্যা ৬টা, শীতে সকাল ৯টা–বিকেল ৫টা, দুপুর ১টায় আধা ঘণ্টার বিরতি; রবিবার বন্ধ, সোমবার দুপুর ২টায় খোলে, শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টা–বিকেল ৩টা বন্ধ।
সম্পর্কে
মসজিদগুলো ঘোরার আগে এখানে আধা ঘণ্টা কাটালে সবকিছু সাজিয়ে নেওয়া যায়। প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর ইউনেস্কোর সঙ্গে ১৯৯৫ সালে জাদুঘরটি তৈরি করে, খোলে ২০০১ সালে; মসজিদের প্রাঙ্গণেই নিচু একটি ভবন। তিনটি গ্যালারিতে খননে পাওয়া জিনিস: আরবি ও ফারসি শিলালিপি, মসজিদের দেয়ালে একসময় বসানো অলংকৃত ইট ও পোড়ামাটির ফলক, চকচকে থালা, মজুতের জালা, পানির পাত্র, মুদ্রা হিসেবে চলা কড়ি, আর মসজিদ-নগরীর একটি মডেল, যাতে দেখা যায় বন ঢেকে দেওয়ার আগে রাস্তা, দিঘি ও ভবনগুলো কীভাবে সাজানো ছিল। দেয়ালের ছবিতে বাগেরহাটকে বাংলাদেশের অন্য বিখ্যাত ইটের স্থাপত্যের পাশে রাখা হয়েছে।
ছোট ও সাদামাটা আলোর জাদুঘর, আর সেটাই এর মাধুর্য: এক চক্করে ধীরে সবকিছু দেখে বেরিয়ে আসবেন এই জেনে যে মিহরাব কী, গম্বুজ কেন নিচু, আর খান জাহান কে ছিলেন।
যাওয়ার পথ: ষাট গম্বুজ মসজিদের প্রাঙ্গণে, পুরোনো রূপসা সড়কের দিকে দক্ষিণ-পূর্ব কোণে।
যা করতে পারেন
- খলিফাতাবাদের মডেলটি দেখে বুঝে নিন শহরটি একসময় কতদূর ছড়িয়ে ছিল।
- পোড়ামাটির ফলকগুলো কাছ থেকে দেখুন: বাইরের মসজিদের দেয়ালে এই একই গোলাপ ও লতাপাতার নকশা পাবেন।
জেনে রাখা ভালো
- দিনটা মিলিয়ে নিন: রবিবার বন্ধ, সোমবার দেরিতে খোলে।
- টিকিট গেটের পাশের কাউন্টারে, মসজিদের টিকিট থেকে আলাদা।






