বন, টাঙ্গাইল
মধুপুর জাতীয় উদ্যানMadhupur National Park
- সময় লাগে
- অর্ধেক থেকে পুরো দিন।
- সেরা মাস
- নভে–মার্চ
- খরচ
- সামান্য প্রবেশমূল্য; স্থানীয় গাইড নেওয়া ভালো।
মধুপুরের লাল মাটির উঁচু ভূমিতে শালবন, ১৯৬২ সালে জাতীয় উদ্যান ঘোষিত, হাঁটার পথ, পর্যবেক্ষণ টাওয়ার, বানর আর চারপাশে গারো গ্রামসহ।
এক নজরে
- ঘোষণা
- ১৯৬২
- ঢাকা থেকে দূরত্ব
- প্রায় ১২৫ কিলোমিটার
সম্পর্কে
মধুপুর একসময় মধ্য বাংলাদেশ ঢেকে রাখা শালবনের সবচেয়ে বড় অবশিষ্ট অংশগুলোর একটি। প্রধান ফটক টাঙ্গাইল–ময়মনসিংহ সড়কের রসুলপুরে, রেঞ্জ অফিসের পাশে, যেখান থেকে ভেতরে হাঁটার অনুমতি নিতে হয়। ভেতরে হাঁটার পথ, বিশ্রামাগার এলাকা আর বনের ওপর দিয়ে দেখার টাওয়ার; এখানে বানর আর মুখপোড়া হনুমান থাকে, সঙ্গে নানা পাখি।
পুরোনো বনের বড় অংশ বাগান আর আনারস-কলার খামারের জন্য কাটা হয়েছে, তাই উদ্যান কোথাও কোথাও ছাড়া-ছাড়া। চারপাশের গারো আর কোচ গ্রাম, নিজেদের গির্জা আর হাটসহ, ভ্রমণেরই অংশ; ভেতর দিয়ে হাঁটার সময় শ্রদ্ধাশীল থাকুন।
যাওয়ার পথ: টাঙ্গাইল থেকে ময়মনসিংহগামী বাসে রসুলপুর গেটে নামুন, প্রায় দেড় ঘণ্টা।
যা করতে পারেন
- রসুলপুর গেট থেকে কোনো পথে হাঁটুন আর পর্যবেক্ষণ টাওয়ারে উঠুন।
- মৌসুমে জলছত্রের বাজার থেকে আনারস কিনুন।
জেনে রাখা ভালো
- ঢোকার আগে রেঞ্জ অফিসে জিজ্ঞেস করুন আর পথ ধরেই চলুন।




