ঝরনা, সিলেট
পান্থুমাই ঝর্ণাPanthumai Waterfall
- সময় লাগে
- বিছনাকান্দিসহ আধা দিন; নৌকায় পুরো চক্কর প্রায় পাঁচ ঘণ্টা।
- সেরা মাস
- জুন–সেপ্টে
- খরচ
- হাদারপার থেকে বিছনাকান্দি, লক্ষ্মণছড়া আর পান্থুমাই ঘুরিয়ে আনার নৌকা, যাওয়া-আসা প্রায় ৳১,১০০–১,৫০০; আগে দাম ঠিক করে নিন।
গোয়াইনঘাটের পান্থুমাই গ্রামে সীমান্তঘেঁষা পিয়াইন নদী থেকে নৌকায় বসে দেখা মেঘালয় পাহাড়ের এক উঁচু ঝর্ণা।
ভ্রমণের পরিকল্পনা
- সেরা সময়
- জুন থেকে সেপ্টেম্বর, যখন ঝর্ণায় পানি সবচেয়ে বেশি।
এক নজরে
- অন্য নাম
- বড়হিল ঝর্ণা, ফাটাছড়ি
- নদী
- পিয়াইন
- উপজেলা
- গোয়াইনঘাট
- ঝর্ণার অবস্থান
- সীমান্তের ওপারে, মেঘালয়ে
সম্পর্কে
ঝর্ণাটি নেমে এসেছে ভারতের দিকের সবুজ পাহাড়ের গা বেয়ে, সেখানে এর নাম বড়হিল ঝর্ণা; এ পারের মানুষ একে ফাটাছড়িও বলেন। পশ্চিম জাফলং ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী গ্রাম পান্থুমাই থেকে পানির ওপারে ঝর্ণাটি দেখা যায়, বর্ষায় এত কাছে যে এর শব্দও কানে আসে।
হাদারপার থেকে নৌকাগুলো সাধারণত বিছনাকান্দি, লক্ষ্মণছড়া আর পান্থুমাই একসঙ্গে ঘুরিয়ে আনে, তাই বেশির ভাগ মানুষ এক দিনেই তিনটি জায়গা দেখেন। এই অংশে কোনো বিজিবি চৌকি নেই, আর নদীর ঠিক ওপারে এক সারি গাছ বরাবর সীমান্তরেখা।
যাওয়ার পথ: সিলেট শহর থেকে সিএনজি বা গাড়িতে প্রায় দেড় ঘণ্টায় হাদারপার বাজার (গোয়াইনঘাট বাজার থেকেও সিএনজি যায়), তারপর পিয়াইন নদী ধরে নৌকা।
যা করতে পারেন
- পিয়াইন নদীতে নৌকা থেকে ঝর্ণাটি দেখুন।
- বিছনাকান্দি আর লক্ষ্মণছড়ার সঙ্গে মিলিয়ে এক দিনের ভ্রমণ করুন।
জেনে রাখা ভালো
- ঝর্ণাটি ভারতে: গাছের সারির এ পাশেই থাকুন, কখনো সীমান্ত পার হবেন না।
- জাতীয় পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখুন; সীমান্ত এলাকায় তল্লাশি হতে পারে।
- বর্ষায় নদীতে স্রোত তীব্র: লাইফ জ্যাকেট পরুন, নৌকায় বেশি লোক তুলবেন না আর স্রোতে সাঁতার কাটবেন না।
- ঝর্ণার কাছে খাবার প্রায় পাওয়া যায় না; সিলেট বা গোয়াইনঘাট থেকে সঙ্গে নিন, অথবা হাদারপারে খেয়ে নিন।
কীভাবে যাবেন
হাদারপারে পুরো চক্করের জন্য একটি নৌকা ভাড়া নিন, বিছনাকান্দি, লক্ষ্মণছড়া আর পান্থুমাই তিনটিই যেন মাঝি চেনেন তা নিশ্চিত করুন।






