নদী, হ্রদ ও হাওর, সুনামগঞ্জ
টাঙ্গুয়ার হাওরTanguar Haor
- সময় লাগে
- এক দিন, বা হাউসবোটে এক রাত।
- সেরা মাস
- জুলা–সেপ্টে
- খরচ
- শেয়ারের হাউসবোট জনপ্রতি দামে; দলের জন্য ভাড়ার ইঞ্জিন নৌকা সস্তা।
মেঘালয় পাহাড়ের পাদদেশে বিশাল মিঠা পানির জলাভূমি, সুন্দরবনের পরে দেশের দ্বিতীয় রামসার স্থান: বর্ষায় খোলা পানির সাগর, শীতে পরিযায়ী পাখিভরা বিলের নকশা।
ভ্রমণের পরিকল্পনা
- সেরা সময়
- পানির জন্য জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর; পাখির জন্য ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি।
এক নজরে
- রামসার স্থান
- ২০০০ থেকে
- সংরক্ষিত
- প্রতিবেশগতভাবে সংকটাপন্ন এলাকা, ১৯৯৯
সম্পর্কে
টাঙ্গুয়ার তাহিরপুর আর মধ্যনগরে, ভারতের দিকের পাহাড় থেকে নেমে আসা বহু ছড়া একে ভরায়। স্থানীয়রা একে বহু বিল আর কান্দার হাওর বলেন, আর ভেতরে বহু গ্রাম। ১৯৯৯ সালে একে প্রতিবেশগতভাবে সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করা হয়, আর ২০০০ সালে রামসার তালিকায় ওঠে।
বর্ষায় পানি পাহাড় পর্যন্ত ছড়ায়, তার মাঝে দাঁড়িয়ে থাকে হিজল আর করচ গাছ; বেশির ভাগ দর্শনার্থী হাউসবোটে এক রাত কাটান, পাশ থেকে সাঁতার কাটেন আর পাহাড়ে মেঘ দেখেন। শীতে পানি কমে আলাদা আলাদা বিল হয়, আর হাওর ভরে ওঠে হাঁস আর অন্য পরিযায়ী পাখিতে।
যাওয়ার পথ: সুনামগঞ্জ শহর থেকে সিএনজি বা মোটরসাইকেলে তাহিরপুর, তারপর ঘাট থেকে নৌকা।
যা করতে পারেন
- পানিতে এক রাত কাটিয়ে পাহাড়ের ওপর ভোর দেখুন।
- জলাবনের কাছের ওয়াচটাওয়ারে উঠুন।
জেনে রাখা ভালো
- লাইফ জ্যাকেট পরুন, আর ময়লা সঙ্গে ফেরত আনুন; প্লাস্টিক হাওরের সবচেয়ে বড় সমস্যা।
- ওপারের সীমান্তরেখা থেকে দূরে থাকুন।





