মসজিদ ও মাজার, নোয়াখালী
বজরা শাহী মসজিদBajra Shahi Mosque
- সময় লাগে
- চল্লিশ মিনিট।
- সেরা মাস
- নভে–ফেব্রু
- খরচ
- বিনা মূল্যে।
সোনাইমুড়ীর বজরায় ১৭৪১ সালের মুঘল মসজিদ, জমিদার আমান উল্লাহর দিল্লির জামা মসজিদের ধাঁচে গড়া: তিন গম্বুজ, বড় দিঘির ওপর উঁচু বেদি, আর ১৯০০-এর দশকে বসানো চীনা চিনামাটির মোজাইক।
এক নজরে
- নির্মাণ
- ১৭৪১
- গম্বুজ
- তিনটি
- মোজাইক
- চিনিটিকরি, প্রায় ১৯০৯
সম্পর্কে
বজরার জমিদার আমান উল্লাহ মুহাম্মদ শাহের আমলে প্রায় ৩০ একরের দিঘির পাশে বেদির ওপর মসজিদটা গড়েন; দিল্লি থেকে পাঠানো এক ইমাম চত্বরে সমাহিত। তিনটি কালো গম্বুজ আর খাঁজকাটা খিলানের উঁচু প্রবেশপথ ১৯০৯-এর দিকে তাঁর বংশধরেরা সংস্কার করেন, সামনের অংশ ঢাকেন চিনিটিকরিতে, ভাঙা চিনামাটির মোজাইক, যা থেকে এর রং। বৃহত্তর নোয়াখালীর সেরা মুঘল স্থাপনা আর তালিকাভুক্ত পুরাকীর্তি, নামাজের মাঝের সময়ে খোলা।
যাওয়ার পথ: নোয়াখালী–কুমিল্লা রোডে: মাইজদী থেকে বজরা বাজার বাস বা সিএনজিতে (প্রায় ৪৫ মিনিট), তারপর অল্প হাঁটা।
যা করতে পারেন
- সামনে আর মিহরাবের চিনামাটির মোজাইক কাছ থেকে দেখুন।
জেনে রাখা ভালো
- শালীন পোশাক; বেদিতে জুতা খুলুন।




