স্মৃতিস্তম্ভ ও স্মৃতিসৌধ, লালমনিরহাট
লালমনিরহাট রেলওয়ে জংশনLalmonirhat Railway Junction
- সময় লাগে
- এক ঘণ্টার কম।
- খরচ
- বিনা খরচে; প্ল্যাটফর্মে গেলে প্ল্যাটফর্ম টিকিট।
যে জংশন শহরটিকে গড়েছে: বিশ শতকের শুরু থেকে রেলের কেন্দ্র, এখনো একটি রেল বিভাগের সদর, চারপাশে ব্রিটিশ আমলের পুরোনো ভবন।
এক নজরে
- আসাম পর্যন্ত লাইন
- ১৯০৮
সম্পর্কে
উনিশ শতকের শেষে কাউনিয়া থেকে রেললাইন এলাকায় আসে আর ১৯০৮ সালে আসামের দিকে বাড়ানো হয়; ততদিনে লালমনিরহাট গুরুত্বপূর্ণ রেলকেন্দ্র। স্টেশন, রেলের অফিস আর কর্মীদের আবাস আজও শহরের চেহারা ঠিক করে।
রেলের ইতিহাসে আগ্রহ থাকলে, কিংবা বুড়িমারীর ট্রেনের অপেক্ষায়, অল্প হেঁটে দেখে নিন।
যাওয়ার পথ: লালমনিরহাট শহরেই, যেকোনো জায়গা থেকে রিকশায়।
যা করতে পারেন
- স্টেশনের কাছের পুরোনো রেলভবনগুলো ঘুরে দেখুন।
জেনে রাখা ভালো
- রেলকর্মী বা অফিসের ছবি তোলার আগে অনুমতি নিন।




