পার্ক ও পিকনিক স্পট, গাজীপুর
নুহাশ পল্লীNuhash Polli
- সময় লাগে
- দুই থেকে তিন ঘণ্টা।
- সেরা মাস
- নভে–ফেব্রু
- খরচ
- গেটে প্রবেশ টিকিট।
পিরুজালীর কাছে কথাসাহিত্যিক ও চলচ্চিত্রকার হুমায়ূন আহমেদের বাগানবাড়ি: সবুজ মাঠ, তাঁর নাম দেওয়া লীলাবতী দিঘি, শত শত গাছের মাঝে ভাস্কর্য, আর লিচুগাছের নিচে তাঁর সমাধি।
এক নজরে
- গড়েছেন
- হুমায়ূন আহমেদ
- সমাধি
- ২০১২ থেকে লিচুগাছের নিচে
সম্পর্কে
হুমায়ূন আহমেদ নুহাশ পল্লী গড়েছিলেন অবসরের জায়গা আর তাঁর ছবি ও নাটকের শুটিংস্থল হিসেবে, আর সেখানে লাগিয়েছিলেন ফল, কাঠ আর ঔষধি গাছের বড় সংগ্রহ, অনেকগুলোর গায়ে পরিচিতি ফলক। চত্বর জুড়ে তাঁর খেয়ালি ছোঁয়া: বৃষ্টিবিলাস ঘর, ডাইনোসরের মডেল, দিঘিতে পাথরের জলকন্যা।
২০১২ সালে মৃত্যুর পর তাঁকে এখানেই সমাহিত করা হয়, আর সারা দেশ থেকে পাঠকেরা আসেন, বিশেষ করে নভেম্বরে তাঁর জন্মদিনে আর জুলাইয়ে মৃত্যুবার্ষিকীতে। বাগানবাড়িটি পরিবার চালায়, প্রবেশমূল্য দিয়ে দর্শনার্থীরা ঢুকতে পারেন।
যাওয়ার পথ: গাজীপুর চৌরাস্তা থেকে সিএনজি বা বাসে হোতাপাড়া, তারপর অটোতে পিরুজালী হয়ে নুহাশ পল্লী।
যা করতে পারেন
- লীলাবতী দিঘি আর পরিচিতি ফলক লাগানো গাছের বাগান ঘুরে দেখুন।
জেনে রাখা ভালো
- খোলার দিন আর সময় বদলায়; রওনা দেওয়ার আগে খোঁজ নিন।





