প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান, গাইবান্ধা

রাজা বিরাটের প্রাসাদRaja Virat's Palace Mound

সময় লাগে
এক ঘণ্টা।
সেরা মাস
নভে–ফেব্রু
খরচ
বিনা মূল্যে।

গোবিন্দগঞ্জের বড় মাটির ঢিবি, যাকে স্থানীয় কিংবদন্তি রাজা বিরাটের প্রাসাদ বলে, মহাভারতে যাঁর রাজসভায় পাণ্ডবেরা আত্মগোপন করেছিলেন; জায়গাজুড়ে পুরোনো ইট ছড়ানো।

এক নজরে

কিংবদন্তি
মহাভারতের রাজা বিরাট

সম্পর্কে

দাঁড়ানো কিছু নেই, শুধু উঁচু জমি, ছড়ানো পুরোনো ইট আর পুকুর, তবে কিংবদন্তি জোরালো আর এলাকায় মেলাও বসে। মহাকাব্যের সঙ্গে সম্পর্ক প্রচলিত বিশ্বাস, প্রমাণিত ইতিহাস নয়; ইটগুলো আশপাশের গ্রামের চেয়ে অনেক পুরোনো বসতির ইঙ্গিত দেয়।

যাওয়ার পথ: ঢাকা–রংপুর মহাসড়কের গোবিন্দগঞ্জ থেকে সিএনজিতে; বিরাটের কথা বলুন।

যা করতে পারেন

  • ঢিবির ওপরে হেঁটে পুরোনো ইট খুঁজে দেখুন।

জেনে রাখা ভালো

  • প্রতিটি ইট যেখানে আছে সেখানেই রাখুন; এ ধরনের জায়গা সংরক্ষিত।

কীভাবে যাবেন

গাইবান্ধা গাইড পড়ুন

কাছাকাছি

নদী, হ্রদ ও হাওর

নান্দাইল দিঘি

১০ কিমি, জয়পুরহাট

জয়পুরহাটের সবচেয়ে বড় দিঘি, প্রায় এক কিলোমিটার লম্বা, কালাইয়ের নান্দাইল গ্রামে, শীতে যেখানে অতিথি পাখি জড়ো হয়।

প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান

বর্ধনকুঠি

১৪ কিমি, গাইবান্ধা

গোবিন্দগঞ্জে পুরোনো বর্ধন রাজাদের আসনের ধ্বংসাবশেষ, জেলার প্রাক-ঔপনিবেশিক অতীতের ভাঙা ইটের ভবন আর পুকুরের নিরিবিলি চত্বর।

মন্দির

পাথরঘাটা মন্দির

১৯ কিমি, জয়পুরহাট

জয়পুরহাটে স্থানীয়ভাবে পরিচিত ছোট পুরোনো মন্দির, কাছে থাকলে একবার থেমে দেখার মতো।

বৌদ্ধ বিহার ও প্যাগোডাMahfuzcong · CC BY-SA 4.0

ভাসু বিহার

১৯ কিমি, বগুড়া

মহাস্থানগড় থেকে প্রায় ৬ কিলোমিটার পশ্চিমে দুটি বৌদ্ধ বিহার আর একটি মন্দিরের খনন করা ধ্বংসাবশেষ, স্থানীয় নাম নরপতির ধাপ।

মসজিদ ও মাজার

হিন্দা-কসবা শাহী জামে মসজিদ

২০ কিমি, জয়পুরহাট

ক্ষেতলালের হিন্দা গ্রামে ১৯৫৮ সালে গড়া পাঁচ গম্বুজের মসজিদ, দেয়ালজুড়ে কাচ আর চিনামাটির টুকরোর মোজাইক, মুঘল রীতির অনুকরণে।

জাদুঘরMasum-al-hasan · CC BY-SA 4.0

মহাস্থান প্রত্নতাত্ত্বিক জাদুঘর

২৩ কিমি, বগুড়া

দুর্গের পাশে ১৯৬৭ সালে খোলা জাদুঘর, মহাস্থানগড় আর উত্তরের অন্যান্য প্রাচীন স্থানের পোড়ামাটির ফলক, মুদ্রা, ভাস্কর্য আর লিপি নিয়ে।

অবস্থান

রাজা বিরাটের প্রাসাদ, গাইবান্ধা

সূত্র 1

সংশোধন জানান

সময়, ভাড়া আর খোলার সময় বদলায়। যাওয়ার আগে একবার যাচাই করে নিন।

গিয়েছেন? অ্যাপে চিহ্নিত করুন।

আপনার ঘুরে আসা জায়গা আর জেলা মানচিত্রে ভরে ওঠে, ব্যাজ অর্জন হয়, আর অফলাইনেও আপনার সঙ্গে থাকে।