সমুদ্রসৈকত, কক্সবাজার
কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতCox's Bazar Sea Beach
- সময় লাগে
- আধা দিন, বা পুরো ট্রিপ।
- সেরা মাস
- নভে–ফেব্রু
- খরচ
- বিনা মূল্যে; চেয়ার, ছাতা আর রাইডে টাকা লাগে।
দেশের সৈকত: শহর থেকে দক্ষিণে টেকনাফ পর্যন্ত প্রায় ১২০ কিলোমিটার অখণ্ড বালু, পৃথিবীর দীর্ঘতম প্রাকৃতিক সমুদ্র সৈকত, লাবণী আর কলাতলী পয়েন্টের পেছনে সারি দিয়ে শহরের হোটেল।
ভ্রমণের পরিকল্পনা
- সেরা সময়
- নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি; সূর্যোদয় আর সূর্যাস্তের আগের শেষ ঘণ্টা।
এক নজরে
- দৈর্ঘ্য
- প্রায় ১২০ কিলোমিটার, শহর থেকে টেকনাফ
- প্রধান পয়েন্ট
- লাবণী, সুগন্ধা, কলাতলী
সম্পর্কে
বাংলাদেশ সাগর দেখতে যায় কক্সবাজারে। পুরো পথ বালু, কাদা নেই, ধীরে ঢালু হয়ে নেমেছে ঢেউয়ে, সবুজ পতাকায় হাঁটুপানিতে নামা নিরাপদ, লাল পতাকায় বিপজ্জনক। শহরের দিকটা ব্যস্ত: ভাড়ার চেয়ার-ছাতা, ফটোগ্রাফার, ঘোড়া, জেট স্কি, মাছভাজা আর ডাবের দোকান, আর প্রতি সন্ধ্যায় সূর্যাস্তের ভিড়।
দক্ষিণে হাঁটুন বা গাড়িতে যান, কয়েক কিলোমিটারেই ভিড় পাতলা। কলাতলীর বালু পেরিয়ে হিমছড়ির দিকে নিরিবিলি অংশ, আর সেখান থেকে টেকনাফ পর্যন্ত সৈকতের পাশে মেরিন ড্রাইভ। মূল পয়েন্টগুলোতে লাইফগার্ড আছে; উল্টো স্রোত সত্যিকারের, প্রতি বছর ভুল জোয়ারে সাঁতারে নেমে মানুষ ডোবে।
যাওয়ার পথ: সৈকতই শহর: কলাতলী আর লাবণী রোডের প্রতিটি হোটেল থেকে বালু কয়েক মিনিটের হাঁটা।
যা করতে পারেন
- লাবণী বা কলাতলী পয়েন্টে মাছভাজা নিয়ে সূর্যাস্ত দেখুন।
- ভোরে সৈকত ফাঁকা থাকতে দক্ষিণে হাঁটুন।
জেনে রাখা ভালো
- শুধু পতাকার মাঝে সাঁতার কাটুন, সন্ধ্যায় কখনও নয়; উল্টো স্রোত প্রতি বছর প্রাণ নেয়।
- চেয়ার, ঘোড়া বা ছবির আগে দাম ঠিক করে নিন।





