প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান, নরসিংদী
উয়ারী-বটেশ্বরWari-Bateshwar
- সময় লাগে
- দুই থেকে তিন ঘণ্টা।
- সেরা মাস
- নভে–ফেব্রু
- খরচ
- জাদুঘরে সামান্য টিকিট; প্রত্নস্থল নিজে খোলা মাঠ।
বাংলাদেশের প্রাচীনতম নগর-প্রত্নস্থলগুলোর একটি: বেলাবোর দুটি গ্রামে আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৪০০ থেকে ১০০ অব্দের সুরক্ষিত বসতি, মাটির প্রাচীর, পরিখা, পাকা রাস্তা আর ছাপাঙ্কিত মুদ্রা ও পুঁতির নিদর্শনসহ।
এক নজরে
- সময়কাল
- আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৪০০–১০০
- খনন
- ২০০০ থেকে
সম্পর্কে
স্কুলশিক্ষক এক স্থানীয় ব্যক্তি ত্রিশের দশকে সংগ্রহ শুরু করার বহু আগে থেকেই এখানকার মানুষ মাঠে রুপার মুদ্রা আর পুঁতি পেতেন। ২০০০ সাল থেকে নিয়মিত খননে বেরিয়েছে মাটির প্রাচীর আর পরিখাঘেরা একটি চতুষ্কোণ সুরক্ষিত এলাকা, চুন আর ইটের টুকরোর রাস্তা, গর্তবসতি, আর উত্তর-ভারতীয় কৃষ্ণ চিক্কণ মৃৎপাত্র, যা জায়গাটিকে সে যুগের বড় বাণিজ্যের সঙ্গে যুক্ত করে।
মাটির ওপর যা দেখবেন তা সাদামাটা: খনন চললে খোলা গর্ত, নিচু ঢিবি আর মাঠের মধ্য দিয়ে পুরোনো প্রাচীরের রেখা। জায়গার ছোট জাদুঘরেই মুদ্রা, পুঁতি আর মৃৎপাত্র দেখে কাহিনিটা পরিষ্কার হয়।
যাওয়ার পথ: নরসিংদী থেকে ঢাকা–সিলেট মহাসড়কে বাসে মরজাল, তারপর সিএনজিতে প্রায় ৩০ মিনিটে উয়ারী।
যা করতে পারেন
- জাদুঘর দিয়ে শুরু করুন, তারপর হেঁটে খননস্থল আর প্রাচীরের রেখায় যান।
জেনে রাখা ভালো
- শীত খননের মৌসুম; তখনই সবচেয়ে বেশি দেখার থাকে।




