মন্দির, নড়াইল

জোড় বাংলা মন্দির, লোহাগড়াJor Bangla Temple, Lohagara

সময় লাগে
আধা ঘণ্টা।
সেরা মাস
নভে–ফেব্রু
খরচ
বিনা মূল্যে।

লোহাগড়ার রায়গ্রামে নবগঙ্গার তীরে সংরক্ষিত জোড় বাংলা মন্দির, দুটি কুঁড়েঘরের মতো চালা একসঙ্গে জোড়া।

এক নজরে

উপজেলা
লোহাগড়া
নদী
নবগঙ্গা

সম্পর্কে

ইতিহাসবিদদের মতে মন্দিরটি গড়েন মেনাহাতির ছোট ভাই রামশঙ্কর; মেনাহাতিকে রাজা সীতারামের এক সেনাপতি বলে মনে করা হয়। প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর এটিকে সংরক্ষিত পুরাকীর্তি হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে।

জোড় বাংলা রীতিতে গ্রামের দুটি খড়ের ঘরের আকার ইটে গড়া হয়, যা বাংলার নিজস্ব স্থাপত্য।

যাওয়ার পথ: নড়াইল থেকে বাস বা সিএনজিতে লোহাগড়া, তারপর ইজিবাইকে রায়গ্রাম।

যা করতে পারেন

  • বাঁকা চালা আর টিকে থাকা ইটের কাজ দেখুন।

জেনে রাখা ভালো

  • শালীন পোশাক পরুন; এটি ধর্মীয় স্থান।

কীভাবে যাবেন

নড়াইল গাইড পড়ুন

কাছাকাছি

মন্দিরমকছুমুল হক · CC BY-SA 4.0

ওড়াকান্দি ঠাকুরবাড়ি

১৬ কিমি, গোপালগঞ্জ

মতুয়া আন্দোলনের প্রবর্তক হরিচাঁদ ঠাকুরের জন্মস্থান এবং এই সম্প্রদায়ের প্রধান তীর্থস্থান, কাশিয়ানী উপজেলায়।

নদী, হ্রদ ও হাওরTanmoy Mishra · CC BY-SA 4.0

চিত্রা নদী

১৭ কিমি, নড়াইল

নড়াইল শহর আর সুলতানের মাছিমদিয়ার পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া শান্ত নদী, নৌকা, ঘাট আর গ্রামের পাড় নিয়ে; বর্ষার পরে এতে নৌকাবাইচ হয়।

জাদুঘর

এস এম সুলতান স্মৃতি সংগ্রহশালা

১৭ কিমি, নড়াইল

চিত্রার তীরে মাছিমদিয়ায় চিত্রশিল্পী এস এম সুলতানের (১৯২৩–১৯৯৪) বাড়ি ও স্মৃতি সংগ্রহশালা; তাঁর ছবি, ব্যবহৃত জিনিস আর আঙিনায় সমাধি।

দুর্গ ও জমিদারবাড়ি

নড়াইল জমিদার বাড়ি

১৮ কিমি, নড়াইল

নড়াইলের জমিদারদের বাড়ি; ১৭৯১ সালে রূপরাম রায়ের হাতে নাটোরের রানী ভবানীর অধীন তালুক হিসেবে শুরু, ছেলে কালী শঙ্কর রায়ের সময়ে স্বাধীন জমিদারি।

দুর্গ ও জমিদারবাড়ি

উলপুর জমিদার বাড়ি

১৮ কিমি, গোপালগঞ্জ

গোপালগঞ্জ সদরের উলপুরে এক বড় হিন্দু জমিদারির অবশেষ, এখন প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের আওতায়।

স্মৃতিস্তম্ভ ও স্মৃতিসৌধDr Amit Biswas · CC BY-SA 4.0

দক্ষিণডিহি রবীন্দ্র কমপ্লেক্স

২৬ কিমি, খুলনা

ফুলতলায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিবিজড়িত বাড়ি: তাঁর স্ত্রী মৃণালিনী দেবীর পরিবারের বাড়ি, যে গ্রামে তাঁর মা-ও জন্মেছিলেন।

অবস্থান

জোড় বাংলা মন্দির, লোহাগড়া, নড়াইল

সূত্র 1

সংশোধন জানান

সময়, ভাড়া আর খোলার সময় বদলায়। যাওয়ার আগে একবার যাচাই করে নিন।

গিয়েছেন? অ্যাপে চিহ্নিত করুন।

আপনার ঘুরে আসা জায়গা আর জেলা মানচিত্রে ভরে ওঠে, ব্যাজ অর্জন হয়, আর অফলাইনেও আপনার সঙ্গে থাকে।