বৌদ্ধ বিহার ও প্যাগোডা, নওগাঁ
পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহারPaharpur Buddhist Vihara
- সময় লাগে
- জাদুঘরসহ দুই থেকে তিন ঘণ্টা।
- সেরা মাস
- নভে–ফেব্রু
- খরচ
- সামান্য প্রবেশমূল্য; বিদেশিদের বেশি।
পাল রাজা ধর্মপালের অষ্টম শতকের শেষে গড়া সোমপুর মহাবিহার: হিমালয়ের দক্ষিণে সবচেয়ে বড় বৌদ্ধ বিহার, ১৯৮৫ থেকে ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্য।
এক নজরে
- প্রতিষ্ঠা
- অষ্টম শতকের শেষে, রাজা ধর্মপাল
- কক্ষ
- ১৭৭
- বিশ্ব ঐতিহ্য
- ১৯৮৫
সম্পর্কে
প্রায় ৩০০ মিটার করে প্রতিটি বাহুর ইটের দেয়ালের চতুর্ভুজে ১৭৭টি ছোট কক্ষ, যেখানে একসময় ভিক্ষুরা থাকতেন ও পড়তেন। মাঝখানে মন্দির, ধাপে ধাপে ওঠা ক্রুশাকার ঢিবি, যার নিচের দেয়ালে এখনো সারি সারি পোড়ামাটির ফলক: পশু, মানুষ, দেবতা আর দৈনন্দিন জীবনের দৃশ্য।
কয়েক শতাব্দী ধরে বিহারটি ছিল শিক্ষার কেন্দ্র, আর এর নকশা গোটা অঞ্চলে অনুসৃত হয়েছে। আজ আপনি বাইরের দেয়াল ধরে হাঁটবেন, কক্ষের সারিতে চোখ রাখবেন আর মন্দিরের ঢিবি ঘুরে দেখবেন; ভোরের বা বিকেলের তির্যক আলোয় নিচু লাল ধ্বংসাবশেষ সবচেয়ে সুন্দর।
ফটকের পাশের জাদুঘরে খননে পাওয়া পোড়ামাটির ফলক, পাথরের মূর্তি আর মুদ্রা রাখা আছে। দুটোর জন্যই সময় রাখুন।
যাওয়ার পথ: নওগাঁ শহর থেকে বদলগাছী হয়ে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার উত্তরে, বাস বা সিএনজিতে; জয়পুরহাটের জামালগঞ্জ রেলস্টেশন প্রায় ৫ কিলোমিটার দূরে।
যা করতে পারেন
- মন্দিরের ঢিবি দেখতে বাইরের দেয়ালের ওপর দিয়ে হাঁটুন।
- মন্দিরের ভিতে পোড়ামাটির ফলক খুঁজুন।
জেনে রাখা ভালো
- ছায়া কম: পানি আর টুপি নিন, সকাল সকাল আসুন।





