যার জন্য পরিচিত
- ১
টুঙ্গিপাড়া।
বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মস্থান ও সমাধিস্থল। ২০০১ সালে জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া তাঁর সমাধিসৌধ কমপ্লেক্সই জেলার সবচেয়ে পরিচিত স্থান।
- ২
ওড়াকান্দি ও মতুয়া সম্প্রদায়।
কাশিয়ানীর ওড়াকান্দিতে ঠাকুরবাড়ি, মতুয়া আন্দোলনের প্রবর্তক হরিচাঁদ ঠাকুরের জন্মস্থান। প্রতি বসন্তে বারুণী স্নান আর মেলায় এখানে তীর্থযাত্রীদের ভিড় জমে।
- ৩
নিচু জলাভূমি।
জেলার বড় অংশ বিলের দেশ, বছরের কয়েক মাস পানিতে ডুবে থাকে; নদী আর খালের মাঝে দাঁড়িয়ে আছে উলপুরের মতো জমিদারবাড়ি।
সেরা মৌসুম
ভালোমোটামুটিনভে–ফেব্রু
নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি: শুকনো পথ আর আরামদায়ক আবহাওয়া। বর্ষায় বিল চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে; নৌকা থেকে দেখতে সুন্দর, তবে গ্রামের রাস্তায় চলা কঠিন হয়।
কীভাবে যাবেন
বাস
ঢাকা
পদ্মা সেতু হয়ে গোপালগঞ্জ শহর ও টুঙ্গিপাড়া
ট্রেন
ঢাকা
ভাঙ্গা হয়ে; কাশিয়ানী ও গোপালগঞ্জে স্টেশন আছে
ঘুরে বেড়ানো
জেলার ভেতরে
ইজিবাইক আর সিএনজি; বর্ষায় নৌকা
পদ্মা সেতু চালুর পর ঢাকা থেকে বাসে কয়েক ঘণ্টায় গোপালগঞ্জ শহর ও টুঙ্গিপাড়ায় পৌঁছানো যায়। ভাঙ্গা হয়ে যাওয়া রেলপথে কাশিয়ানী পড়ে, তাই ঢাকার ট্রেন ওড়াকান্দির কাছে থামে।
স্থানীয় খাবার
বিলের মাছঅবশ্যই চেখে দেখুন
বর্ষার পরে সবচেয়ে ভালো
নদী আর বিলের মাছই এখানকার রোজকার খাবার, সঙ্গে শহরের দোকানের মিষ্টি।
দেখার মতো জায়গা
কোটালীপাড়া
জেলার দক্ষিণে বিল আর খালে ভরা নিচু উপজেলা, যেখানে বর্ষায় কৃষকেরা ভাসমান বেডে সবজি চাষ করেন।
স্মৃতিস্তম্ভ ও স্মৃতিসৌধShek Hasan · CC BY-SA 4.0শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিসৌধ
বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধি, তাঁর নিজ গ্রাম টুঙ্গিপাড়ায়।
মন্দিরমকছুমুল হক · CC BY-SA 4.0ওড়াকান্দি ঠাকুরবাড়ি
মতুয়া আন্দোলনের প্রবর্তক হরিচাঁদ ঠাকুরের জন্মস্থান এবং এই সম্প্রদায়ের প্রধান তীর্থস্থান, কাশিয়ানী উপজেলায়।
উলপুর জমিদার বাড়ি
গোপালগঞ্জ সদরের উলপুরে এক বড় হিন্দু জমিদারির অবশেষ, এখন প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের আওতায়।
সময়, ভাড়া আর খোলার সময় বদলায়। যাওয়ার আগে একবার যাচাই করে নিন।
এই গাইডটি অফলাইনে নিয়ে যান।
একই গাইড, প্রতিটি জায়গা আর ছবি, ইন্টারনেট ছাড়াই আপনার ফোনে। পৌঁছে জেলাটি চিহ্নিত করুন।
