জেলা গাইড

চাঁপাইনবাবগঞ্জChapai Nawabganj

রাজশাহী বিভাগ

৭

জায়গা

নভে–ফেব্রু

সেরা মাস

৭ ঘণ্টা

ঢাকা থেকে

যার জন্য পরিচিত

  1. ১

    সীমান্তের এপারের গৌড়।

    বাংলার সুলতানদের পুরোনো রাজধানী শিবগঞ্জে সীমান্তের দুই পাশে ছড়ানো, আর বাংলাদেশের অংশে কয়েক কিলোমিটারের মধ্যে এর সেরা নিদর্শনগুলো: সুলতানি স্থাপত্যের রত্ন বলে খ্যাত ছোট সোনা মসজিদ, দারাসবাড়ির বিশাল ভাঙা মসজিদ আর মাদ্রাসা, নিঃসঙ্গ খনিয়াদিঘি মসজিদ, আর শাহ নেয়ামতুল্লাহর মাজারের পাশে শাহ সুজার তাহখানা।

  2. ২

    আমের রাজধানী।

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ দেশের আমের মূল এলাকা, প্রতিটি রাস্তার ধারে বাগান। মে থেকে জুলাই কানসাটের বাজার আম আর সারা দেশের ব্যাপারীতে ভরে যায়।

সেরা মৌসুম

জানু
ফেব্রু
মার্চ
এপ্রি
মে
জুন
জুলা
আগ
সেপ্টে
অক্টো
নভে
ডিসে

ভালোমোটামুটিনভে–ফেব্রু

নিদর্শন দেখতে নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি: ঠান্ডা, শুকনো, পরিষ্কার। মে থেকে জুলাই আমের মৌসুম, গরম আর আর্দ্র, তবু অনেকে এ সময়েই আসেন; কানসাটে জুন সবচেয়ে জমজমাট।

কীভাবে যাবেন

বাস

ঢাকা

৭ ঘণ্টা

চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরে; কিছু কোচ সোনামসজিদ পর্যন্ত যায়

ট্রেন

ঢাকা

বনলতা এক্সপ্রেস, চাঁপাইনবাবগঞ্জ পর্যন্ত বিরতিহীন

বাস

রাজশাহী

১.৫ ঘণ্টা

শহরে ঘন ঘন লোকাল বাস

ঘুরে বেড়ানো

চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহর

সোনামসজিদে ১ ঘণ্টা

কানসাট হয়ে বাস বা সিএনজি; গৌড়ের জায়গাগুলোর মাঝে ভ্যান

ঢাকা থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরে বাসে প্রায় ৭ ঘণ্টা, আর ঢাকা থেকে বিরতিহীন বনলতা এক্সপ্রেস চলে। রাজশাহী থেকে বাসে প্রায় দেড় ঘণ্টা। গৌড়ের নিদর্শনগুলো শিবগঞ্জের সোনামসজিদ এলাকায়, শহর থেকে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার: বাস বা সিএনজিতে সোনামসজিদ, তারপর হেঁটে বা ভ্যানে এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায়।

স্থানীয় খাবার

  • খিরসাপাত ও অন্যান্য আমঅবশ্যই চেখে দেখুন

    মে থেকে জুলাই, সরাসরি কানসাট থেকে

  • কালাই রুটিঅবশ্যই চেখে দেখুন

    মরিচ-পেঁয়াজের ভর্তা বা হাঁসের মাংসের সঙ্গে

সবার আগে আম: খিরসাপাত, ল্যাংড়া, ফজলি, আম্রপালি আর আরও অনেক, প্রত্যেকটির নিজের কয়েক সপ্তাহ। প্রতিদিনের স্থানীয় খাবার কালাই রুটি, মাষকলাই আর চালের আটার রুটি, গরম গরম কাঁচামরিচ-পেঁয়াজ-সরিষার তেলের ভর্তা বা গরু-হাঁসের মাংসের সঙ্গে খাওয়া হয়।

দেখার মতো জায়গা

মসজিদ ও মাজারNahid Hossain · CC BY-SA 4.0

ছোট সোনা মসজিদ

গৌড়ের ছোট সোনা মসজিদ, সুলতান আলাউদ্দিন হুসেন শাহের আমলে ১৪৯৩ থেকে ১৫১৯ সালের মধ্যে গড়া: পনেরোটি গম্বুজ, লেসের মতো খোদাই করা পাথরের দেয়াল, আর "সুলতানি স্থাপত্যের রত্ন" নাম।

প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানAshik2850 · CC BY-SA 4.0

দারাসবাড়ি মসজিদ ও মাদ্রাসা

১৪৭৯ সালের বিশাল এক ইটের মসজিদের ছাদহীন কাঠামো, আর কাছেই বাংলার সবচেয়ে পুরোনো জানা মাদ্রাসাগুলোর একটির খনন করা আঙিনা: দুই ধ্বংসাবশেষে সুলতানি গৌড়ের বিশালতা।

বাজার

কানসাট আমের বাজার

শিবগঞ্জের কানসাটে দেশের সবচেয়ে বড় আমের বাজার: মে থেকে জুলাই রাস্তা ভরে যায় আমবোঝাই ভ্যান আর সারা দেশের ব্যাপারীতে।

মসজিদ ও মাজারNahid.rajbd · CC BY-SA 4.0

খনিয়াদিঘি মসজিদ

সোনামসজিদের কাছে খনিয়া দিঘির পাশে আনুমানিক ১৪৮০ সালের এক গম্বুজের ইটের মসজিদ, রাজবিবি মসজিদ নামেও পরিচিত: ছোট, লতায় ঢাকা আর মায়াময়।

মসজিদ ও মাজারRangan Datta Wiki · CC BY-SA 4.0

শাহ নেয়ামতুল্লাহ ওয়ালির মাজার

সোনামসজিদে তাহখানা কমপ্লেক্সে সতেরো শতকের সাধক শাহ নেয়ামতুল্লাহর মাজার, যিনি শাহ সুজার মুর্শিদ ছিলেন: জেলার সবচেয়ে পরিচিত তীর্থস্থান।

বাজারওয়াহিদুল হক · CC BY-SA 4.0

সোনামসজিদ স্থলবন্দর

শিবগঞ্জে মালদহ সীমান্তে দেশের ব্যস্ততম স্থলবন্দরগুলোর একটি, গৌড়ের নিদর্শন থেকে অল্প দূরে: পুরোনো রাজধানী দেখা শেষে সীমান্তে এক নজর।

দুর্গ ও জমিদারবাড়িNajelumif · CC BY-SA 4.0

শাহ সুজার তাহখানা

ছোট সোনা মসজিদের কাছে বড় দিঘির পাড়ে মুঘল আমলের "ঠান্ডা ঘর", শাহজাদা শাহ সুজা তাঁর মুর্শিদ শাহ নেয়ামতুল্লাহর জন্য গড়েন; পাশে তিন গম্বুজ মসজিদ আর সাধকের মাজার।

সূত্র 2

সংশোধন জানান

সময়, ভাড়া আর খোলার সময় বদলায়। যাওয়ার আগে একবার যাচাই করে নিন।

এই গাইডটি অফলাইনে নিয়ে যান।

একই গাইড, প্রতিটি জায়গা আর ছবি, ইন্টারনেট ছাড়াই আপনার ফোনে। পৌঁছে জেলাটি চিহ্নিত করুন।