যার জন্য পরিচিত
- ১
দেশের সবচেয়ে বড় দ্বীপ।
ভোলা মেঘনার মোহনায়, আর যাওয়ার পথটাই ভ্রমণের অংশ: ঢাকা থেকে রাতের লঞ্চ, বা বরিশাল থেকে ফেরি।
- ২
বঙ্গোপসাগরের কিনারার চর।
লাগানো শ্বাসমূলীয় বন আর চিত্রা হরিণের চর কুকরি মুকরি, তার ওপারে তারুয়া সৈকত, সাগরের অনেক ভেতরে ঢালচর, আর মেঘনার বুকে মনপুরা দ্বীপ: যেখানে খুব কম পর্যটক পৌঁছান।
সেরা মৌসুম
ভালোমোটামুটিনভে–ফেব্রু
নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি একমাত্র সহজ মৌসুম: মেঘনা শান্ত, চরে নৌকা চলে, কাদাচরে পরিযায়ী পাখির ভিড়।
মে থেকে অক্টোবর নদী উত্তাল, ট্রলার আর ছোট নৌকায় ঝুঁকি, আর ঘূর্ণিঝড়ের সংকেতে দ্বীপে আটকে পড়তে পারেন।
কীভাবে যাবেন
লঞ্চ
ঢাকা (সদরঘাট)
রাতের লঞ্চে ভোলা বা চরফ্যাশনের ঘাট
বাস
বরিশাল
নদী পার হয়ে ফেরি বা স্পিডবোটে ভোলা
ঘুরে বেড়ানো
জেলার ভেতরে
বাসে চরফ্যাশন, তারপর ট্রলার আর স্পিডবোটে চরে
ঢাকার সদরঘাট থেকে রাতের লঞ্চ ভোলা আর চরফ্যাশনের ঘাটে যায়; বরিশাল থেকে ফেরি বা স্পিডবোটে ভোলা। জেলার ভেতরে বাসে দ্বীপের দক্ষিণে চরফ্যাশন, সেখান থেকে ট্রলার আর স্পিডবোটে কুকরি মুকরি, তারুয়া, ঢালচর আর মনপুরা।
স্থানীয় খাবার
মহিষের দইঅবশ্যই চেখে দেখুন
ঘন আর টক, মাটির পাত্রে পাতা
মেঘনার ইলিশঅবশ্যই চেখে দেখুন
বর্ষার মাসে সবচেয়ে ভালো
মেঘনার ইলিশ, মাটির পাত্রে পাতা মহিষের দই, আর চরে টাটকা নদী ও সাগরের মাছ।
দেখার মতো জায়গা
বন্যপ্রাণী ও জাতীয় উদ্যানAshis Kumar Datta · CC BY-SA 4.0চর কুকরি মুকরি
ভোলার সবচেয়ে দক্ষিণের দ্বীপ, প্রায় ১০ কিলোমিটার লম্বা, যেখানে লাগানো শ্বাসমূলীয় বনের অভয়ারণ্যে থাকে চিত্রা হরিণ, বানর আর নানা পাখি।
দেউলা তালুকদার বাড়ি
বোরহানউদ্দিনের দেউলায় এক পুরোনো তালুকদার পরিবারের বাড়ি, দ্বীপে টিকে থাকা হাতেগোনা ঐতিহাসিক বাড়ির একটি।
ঢালচর
দেশের সবচেয়ে দূরের জনবসতিপূর্ণ দ্বীপগুলোর একটি, ভোলার দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের অনেক ভেতরে, বন, সৈকত আর ভাঙাগড়ার মাটিতে বাস করা জেলে সম্প্রদায়।
দ্বীপArman333 · CC BY-SA 3.0মনপুরা দ্বীপ
ভোলার পূর্বে মেঘনার বুকে একটি দ্বীপ উপজেলা, সবুজ মাঠ, খোলা নদীর দৃশ্য, লাগানো বনের হরিণ আর নিজের নামের সিনেমার জন্য পরিচিত।
সমুদ্রসৈকতABDULLAH MANNAN · CC BY-SA 4.0তারুয়া সমুদ্র সৈকত
চরফ্যাশনের দূরের সমুদ্র সৈকত, শেষ ১৫ কিলোমিটার নৌকায়: খোলা সাগর, বালু, পাখি আর পেছনে শ্বাসমূলীয় বন।
সূত্র 1
সময়, ভাড়া আর খোলার সময় বদলায়। যাওয়ার আগে একবার যাচাই করে নিন।
এই গাইডটি অফলাইনে নিয়ে যান।
একই গাইড, প্রতিটি জায়গা আর ছবি, ইন্টারনেট ছাড়াই আপনার ফোনে। পৌঁছে জেলাটি চিহ্নিত করুন।
